### **দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি অপসারণ, ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন**
**আন্তর্জাতিক ডেস্ক**
**প্রকাশ: ০৫ এপ্রিল ২০২৫**
দক্ষিণ কোরিয়ার **সাংবিধানিক আদালত** প্রেসিডেন্ট **ইউন সুক-ইওলকে** তার পদ থেকে **অপসারণের রায়** দিয়েছে। শুক্রবার এই রায় ঘোষণার পর **আগামী ৬০ দিনের মধ্যে** নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
### **কেন অপসারণ করা হলো?**
আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, **গত বছরের ডিসেম্বরে সামরিক আইন জারি করে ইউন জনগণের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করেছেন**। তার এই পদক্ষেপকে **অগণতান্ত্রিক** বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
### **পটভূমি ও বিতর্ক**
**২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর** সন্ধ্যায় প্রেসিডেন্ট ইউন **স্বল্প সময়ের জন্য সামরিক আইন জারি করেন**। তিনি দাবি করেছিলেন, **উত্তর কোরিয়ার মদদপুষ্ট শক্তি দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারে অনুপ্রবেশ করেছে**, যা রাষ্ট্রের জন্য হুমকি।
তবে, উচ্চপদস্থ **সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তারা সাক্ষ্য দেন**, প্রেসিডেন্ট ইউন মূলত **তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের আটক করতে এবং সংসদের ভোটগ্রহণ বন্ধ রাখতে সামরিক আইন জারি করেছিলেন**।
এই ঘটনার পর, **পার্লামেন্টে ভোটাভুটির মাধ্যমে অভিশংসিত হন ইউন সুক-ইওল**, এবং **২০২৪ সালের ডিসেম্বরে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরখাস্ত করা হয়**। তবে, সাংবিধানিক আদালতের চূড়ান্ত অনুমোদন না থাকায় তিনি এতদিন **আইনগতভাবে প্রেসিডেন্ট ছিলেন, যদিও তার হাতে কোনো নির্বাহী ক্ষমতা ছিল না**।
### **চূড়ান্ত রায় ও পরবর্তী পদক্ষেপ**
শুক্রবার আদালতের **আটজন বিচারকের মধ্যে ছয়জনের সম্মতিতে** ইউনকে **চূড়ান্তভাবে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অপসারণ করা হয়**। ফলে, দক্ষিণ কোরিয়াকে **আগামী দুই মাসের মধ্যে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করতে হবে**।
### **নতুন নির্বাচনের দিকে দক্ষিণ কোরিয়া**
এই রায়ের ফলে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে **নতুন মোড়** এসেছে। দেশটি এখন **সংবিধান অনুযায়ী ৬০ দিনের মধ্যে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে**।