ইসরায়েলের পতন সম্পর্কে কোরআনের ভবিষ্যদ্বাণী!



**ইসরায়েলের পতন সম্পর্কে কোরআনের ভবিষ্যদ্বাণী!**  

**রাকিব | ৭ এপ্রিল, ২০২৫**


পবিত্র কোরআনে বনী ইসরাইল জাতির অতীত এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে আলোচনা করা হয়েছে। সূরা বনী ইসরাইলে উল্লেখ রয়েছে, তারা পৃথিবীতে দুইবার বিশাল ফিতনা সৃষ্টি করবে এবং উভয়বারই আল্লাহ তাআলা তাদের কঠোর শাস্তি দেবেন।


প্রথম শাস্তি আসে খ্রিস্টপূর্ব ৭২২ সালে, যখন অ্যাসিরিয়ান শাসকরা জেরুজালেম দখল করে শহরটি ধ্বংস করে দেয়। এটি ছিল দাউদ (আ.) ও সুলাইমান (আ.)-এর গড়ে তোলা সাম্রাজ্যের পতন। ঐতিহাসিকভাবে, রাজা তিগলাত পিলেসার ও সালমানেসার এর নেতৃত্বে বনী ইসরাইলের একাংশ দখল ও নির্বাসিত করা হয়।


আল্লাহ কোরআনে বলেন:  

**“অতঃপর আমি তাদের বিরুদ্ধে প্রেরণ করেছিলাম আমার শক্তিশালী বান্দাদের, যারা কঠোর যুদ্ধ করেছিল এবং শহরের আনাচে-কানাচে পর্যন্ত তল্লাশি চালিয়েছিল।”**  

*(সূরা বনী ইসরাইল, আয়াত ৫)*


এরপর আল্লাহ তাদেরকে আবার শক্তি ও সম্পদের মাধ্যমে পুনরায় ক্ষমতা দেন।


তবে ইসলামী স্কলারদের মতে, কোরআনে উল্লিখিত দ্বিতীয় শাস্তি এখনো আসেনি। তারা বিশ্বাস করেন, বর্তমান ইসরায়েল রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও সামরিক প্রভাবই সেই দ্বিতীয় ধ্বংসের পূর্বাভাস হতে পারে। মুসলিমদের বিশ্বাস অনুযায়ী, ইমাম মাহদীর নেতৃত্বে জেরুজালেম পুনরুদ্ধারই হবে সেই দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত পতন।


এই ভবিষ্যদ্বাণী ও ইতিহাসের মাঝে মিল খুঁজে পাওয়া যায়, যা মুসলিমদের কাছে আস্থা ও সতর্কতার বার্তা। আল্লাহর নীতি কখনো পরিবর্তন হয় না, যারা পৃথিবীতে ফাসাদ ছড়ায়, তারা একদিন শাস্তি ভোগ করবেই—এ বিশ্বাস মুসলিম বিশ্বে সুপ্রতিষ্ঠিত।



Post a Comment

Previous Post Next Post